মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক সহযোগিতায় আগ্রহী ইরান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে তারেক রহমান ইবির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে দেশজুড়ে অস্থিরতা, চাপে ফ্রান্স সরকার ইসরায়েলে নির্বাচন আজ, ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু নাকি আসছে পরিবর্তন? রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, আলোচনায় উন্নয়ন পরিকল্পনা পিএসসির সদস্য হলেন শেখ হাসিনার ছবি সরিয়ে আলোচনায় আসা জাবি অধ্যাপক নির্বাসন শেষে নিজ দেশ ভেনেজুয়েলায় ফিরলেন নোবেলজয়ী মাচাদো বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায় ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে ঢাকা কর কমিশনারের কার্যালয় পরীমনির জন্মদিনে উড়োজাহাজে এল শিউলি ফুল: কে পাঠালেন এই উপহার? পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ বিতর্কের পর এবার প্রাথমিক স্তরের বইয়ে ‘নৌকা’র ছবি নিয়ে তোলপাড় সেন্টমার্টিনে দৈনিক সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক ভ্রমণের সুযোগ, বাড়ছে রাত্রিযাপনের অনুমতি চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুলার জয়, চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরছেন তিনি ফেনীতে মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ের বটির কোপে মায়ের করুণ মৃত্যু স্বজনদের সম্পত্তির বিরোধে গোরস্থানে দাফনে বাধা, বাড়ির আঙিনায় বৃদ্ধের শেষ ঠিকানা ৭ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ক্ষমার দাবি, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে লিগ্যাল নোটিশ জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

ইসরায়েলে নির্বাচন আজ, ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু নাকি আসছে পরিবর্তন?

  • আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৬ ০৮:২২:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৬ ০৮:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন
ইসরায়েলে নির্বাচন আজ, ক্ষমতায় থাকছেন নেতানিয়াহু নাকি আসছে পরিবর্তন?

ইসরায়েলে আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংসদ নির্বাচন। এ ভোটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটতে পারে, আবার কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে দেশটিতে নতুন করে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
 

২৭ অক্টোবরের এই নির্বাচনে ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১ জন আইনপ্রণেতার সমর্থন। নির্বাচনের আগে প্রকাশিত জনমত জরিপগুলোতে প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলোর কেউই এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সরকার গঠনে ছোট দল ও জোটের বাইরে থাকা আইনপ্রণেতাদের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
 

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এর পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, পাশাপাশি লেবানন ও ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর এটিই দেশটির প্রথম সাধারণ নির্বাচন। প্রায় চার দশকের মধ্যে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টিও এবারের ভোটকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
 

নির্বাচনে এগিয়ে আইজেনকটের দল

 

নির্বাচনের আগে প্রকাশিত কয়েকটি জনমত জরিপে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের মধ্যপন্থী দল ইয়াশার নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির চেয়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে। জরিপভেদে ইয়াশার ২০ থেকে ২৩টি এবং লিকুদ ১৯ থেকে ২১টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদের নেতৃত্বাধীন ‘বিয়াখাদ’ বা ‘একসঙ্গে’ জোট তৃতীয় অবস্থানে থাকতে পারে। এ জোট ১৪ থেকে ১৫টি আসন পেতে পারে বলে বিভিন্ন জরিপে ধারণা দেওয়া হয়েছে।
 

এ ছাড়া সাবেক জেনারেল ইয়াইর গোলানের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্র্যাটস এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যানের ইয়িসরায়েল বেইতেনু দলও বিরোধী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
 

জরিপগুলোর সামগ্রিক চিত্রে নেতানিয়াহুর সমর্থক দলগুলোর পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের আসনসংখ্যাও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সীমার নিচে থাকতে পারে। ফলে নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়া দলটির পক্ষেও সরকার গঠন নিশ্চিত নয়।
 

ইসরায়েলের নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটাররা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেন না; তাঁরা রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। ১২০ সদস্যের নেসেটে আসন পেতে কোনো দলকে বৈধ ভোটের অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ পেতে হয়। এরপর জোট গঠন ও সংসদীয় সমর্থনের ভিত্তিতে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগোয়।
 

রাজনৈতিক টিকে থাকার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু

 

দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করে আসা ৭৭ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য এবারের নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় নিজের অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে তিনি ভোটারদের সমর্থন চাইছেন।
 

তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা, পরবর্তী সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা তদন্তে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় কমিশন গঠন নিয়ে তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে।
 

দুর্নীতির অভিযোগেও বিচারাধীন নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ছাড়া গাজা যুদ্ধের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
 

নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য জোটসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী দলগুলো। পাশাপাশি অতি-ধর্মীয় ইহুদিদের প্রতিনিধিত্বকারী শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুদাইজমের মতো দলও তাঁর জোটের সম্ভাব্য অংশীদার।
 

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের স্থানান্তরের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ায় এসব দলের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। এদিকে অতি-ধর্মীয় ইহুদি পুরুষদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার আওতায় আনা হবে কি না, তা নিয়েও দেশটির রাজনীতিতে মতবিরোধ রয়েছে।
 

পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি আইজেনকটের

 

৬৬ বছর বয়সী গাদি আইজেনকট ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর তিনি নেতানিয়াহুর জরুরি ঐক্য সরকারে যোগ দিয়েছিলেন। পরে গাজায় সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে মতবিরোধের জেরে তিনি সরকার ছাড়েন।
 

আইজেনকটের নির্বাচনী প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি জবাবদিহি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার। ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যর্থতা তদন্তে আনুষ্ঠানিক কমিশন গঠন এবং অতি-ধর্মীয় ইহুদি পুরুষদের সামরিক সেবায় ছাড় সীমিত করার পক্ষেও তিনি অবস্থান নিয়েছেন।
 

তবে নেতানিয়াহুর বিকল্প হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেও নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন প্রশ্নে তাঁর অবস্থানের সঙ্গে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কিছু মিল রয়েছে। আইজেনকটও পূর্ণ সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন এবং গাজায় হামাসের সামরিক সক্ষমতা ও শাসনের অবসান চান।
 

তাই এবারের নির্বাচনে নেতৃত্ব, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ডানপন্থী দলগুলোর প্রভাব নিয়ে ভোটারদের সামনে বিকল্প থাকলেও নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন প্রশ্নে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
 

সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আরব দলগুলো

 

কোনো প্রধান রাজনৈতিক শিবির ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে না পারলে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। জরিপে জয়েন্ট লিস্ট ও রা'আমের সম্মিলিত আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 

আইজেনকটের নেতৃত্বে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে এসব দলের সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। সেই সমর্থন সরাসরি সরকারে যোগদানের মাধ্যমে অথবা সংসদের বাইরে থেকে আস্থা ভোটে সমর্থন দেওয়ার মাধ্যমেও আসতে পারে।
 

তবে এ ধরনের সমঝোতা সহজ হবে না। লিবারম্যান ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল সরকারে যোগ দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। বিরোধী শিবিরের অন্য নেতাদের মধ্যেও এ বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।
 

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সমর্থন নিয়ে বিরোধীদের সরকার গঠনের সম্ভাবনাকে সামনে এনে ডানপন্থী ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু।
 

জোটের জট কাটবে, নাকি আবার নির্বাচন?

 

নির্বাচনের পর সরকার গঠনে কয়েকটি সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। নেতানিয়াহু নিজের জোটে পর্যাপ্ত আসন পেলে অথবা অন্য দলের আইনপ্রণেতাদের সমর্থন আদায় করতে পারলে আবারও সরকার গঠন করতে পারেন।
 

অন্যদিকে, আইজেনকটের নেতৃত্বে সরকার গঠনের জন্য বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার পাশাপাশি ছোট দল বা স্বতন্ত্র অবস্থানে থাকা আইনপ্রণেতাদের সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মতাদর্শগত পার্থক্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
 

লিকুদ ও বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে সরকারে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আইজেনকট ও তাঁর কয়েকজন মিত্রের আপত্তি রয়েছে।
 

কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারলে দীর্ঘ সময় ধরে জোট আলোচনা চলতে পারে। সে ক্ষেত্রে নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখতে পারেন এবং রাজনৈতিক সমঝোতা ব্যর্থ হলে দেশটিকে আবারও নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে।
 

এ ছাড়া ছোট দলগুলোর মধ্যে কোনটি ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারছে, সেটিও ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। কোনো দল এ সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হলে তারা নেসেটে আসন পাবে না। এতে রাজনৈতিক শিবিরগুলোর আসনসংখ্যার হিসাব বদলে যেতে পারে।
 

ভোট শেষে রাতেই মিলতে পারে প্রাথমিক চিত্র

 

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর বুথফেরত জরিপ প্রকাশের কথা রয়েছে। এরপর রাত থেকেই প্রাথমিক ফলাফল আসতে শুরু করতে পারে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় দেওয়া ভোটসহ সব ভোট গণনা ও যাচাই করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
 

নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সূচি অনুযায়ী, ৪ নভেম্বরের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের সময় নির্ধারিত রয়েছে। ফল ঘোষণার পর সরকার গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে।
 

সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচন শুধু নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, গাজা যুদ্ধ-পরবর্তী ইসরায়েলের নিরাপত্তানীতি, রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি এবং ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর রাজনৈতিক প্রভাবের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিজস্ব প্রতিবেদক

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা